তাই অন্য একজনের কথাকে রাসুলের কথা মনে করা কি অন্য ব্যক্তিকে রাসুলের কথার মর্যাদা দেয়া রাসুলের প্রতি অবমাননা নয় কি? আমরা রাসূলের একটু অবমাননা করলে ফেটে পড়ি, অথচ প্রতিনিয়ত জাল হাদীস বর্ণনাকারীদেরকে সুযোগ দিচ্ছি তাদের মাথায় তুলে রাখছি। এর বিচার কি হওয়া উচিত?
রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ইরশাদ করেন,“কেউ মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা কিছু শোনে(সত্যমিথ্যা যাচাই ছাড়া) সবই বর্ণনা কওে”। Ñ সহীহ মুসলিম ১/৮, হাদীস ৫; সুনানে আবু দাউদ ২/৬৮১,হাদীস ৪৯৮২।
নবী পাক(দঃ) বলেন,“যে ব্যক্তি আমার ব্যাপারে এমন কথা বলবে যা আমি বলিনি , সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়”। -সহীহ বুখারী ১/২১,হাদীস ১০৯
নবী পাক (দঃ) “আমার উপর মিথ্যারোপ করা অন্য কারো উপর মিথ্যারোপ করার মতো নয়। যে আমার উপর মিথ্যারোপ, সে যেন জাহন্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।- সহীহ বুখারী ১/১৭২,হাদীস ১২৯১;সহীহ মুসলিম ১/৭,হাদীস ৪।
অন্য হাদীসে আছে, রাসুল্লাহ (দঃ) ইরশাদ করেছেন, তোমরা আমার নামে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে ভয় কর। তোমরা যা নিশ্চিত জান (যে তা আমার হাদীস) শুধু তাই বর্ণনা কর। যে ব্যাক্তি ইচ্ছাপূর্বক আমার ব্যাপারে মিথ্যা বলবে , সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয় এবং যে ব্যাক্তি নিজের মর্জি মত মনগড়া তাফসীর করবে, সেও যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নেয়।- জামে তিরমিযী ২/১২৩,হাদীস ২৯৫১( তাফসীর অধ্যায়ের শুরুভাগে)


